সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যা থামলেই শেষ (এ কারনে চলবে)২

ক্ষত আর বিক্ষত যাই আমি হইনা কেনো সারাক্ষন মাথার নিউরোন গুলো অক্ষত থাকার ভাবনাই ভেবে যায়। এই ভাবনা থেকেই মরিয়া হয়ে দরিয়া পার হওয়ার চিন্তা করি। কি করবো? আমি যে একজন শক্তিমান ভয়াবহ অসহায় মানুষ। যাকে বলা হয়েছে শ্রেষ্ঠ কিন্তু শ্রেষ্ঠত্তের কতটুকু গুন বা বেগুন আছে তা পরিমাপ করাই আজ দূঃস্বাধ্য। পরিমাপ কে করবে? পরিমাপকেও যে ভ্যাজাল লেগে ক্যাচাল হয়ে গেছে। জীবনটার অশরীরি রুপটা দিনে দিনে প্রকট আকার ধারন করে বিকট হতে শুরু করছে। ভাবনার গাড়ি ষ্টেশন খুঁজে পায়না


আমাকে যদি এত কিছু সহ্যই করতে হয় তাহলে অসহ্য হওয়ার মত মহৎ বিষাক্ত রিপু কেন তাড়িয়ে বেড়ায়? আর কেই বা খোঁজ নেয় সভ্যতার আবরণে লুকানো পিশাচের ভিরে? আমরা সবাই পিশাচ। পিশাচ পিশাচিনি একে অপরকে ভালো বেসে যাই। নিজেদের রুপ আয়নায় দেখলে একটা সুন্দর পিশাচ ছাড়া নিজেকে অন্য বনের অধিবাসী বলে মনে হয়না। কেনো হবে? যেই ব্যাটা কদিন পড়েই ইংল্যান্ড যাচ্ছে সর্বোচ্চ ডিগ্রি আনতে সেই ব্যাটার শিক্ষা অথবা নৈতীকতার বাহার দেখে মনে হয় সমাজে সব যদি বিধর্মী হয়ে যেতো তাহলেও হয়তো মুসলিমদের চেয়ে ভালো ভাবে সমাজ বহন করতে পারতো। কারন ঐব্যাটার দোষ তো তখন সাধুবাদের ব্যাবহার যোগ্য কর্মে পরিনত হতো।

যবি কই মন? যেদিকে যাবি সেদিকেই দেয়াল, অপরিপক্ক কোনো মাছের চেয়াল। খাঁড়া হয়ে উঠে গেছে উপর থেকে অনেক উপরে... টপকাতেও পারবিনা। কারন পা যে টেনে ধরে রেখেছে...ধ্বংস করে বংশ গড়ার সম্ভাবনাও অনেক ক্ষীন। পরিক্ষার হল থেকে পালাতে চাইবি? তাও পারবিনা... কেননা আত্ম হন্তারকের অবস্থান দোযখে। (চলবে)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

৬ বছর পর

আগের মত আর লিখিনা বহুদিন। এই যায়গাটা আমার ডায়রির মত। মন যা চায় তা ই লিখতাম। একসময় ব্লগে অনেক কথা হত কত মানুষের সাথে। বাংলা ব্লগোস্ফেয়ারে এপক্ষ ওপক্ষ হয়ে তুলোধুনো করে সবাই সবার ফাঁসি চেয়ে এখন বন্ধ। আমরা যারা লেখালেখি করতাম তারাও তাদের নিজনিজ বিশ্বাস সম্মান ও চেতনা বজায় রাখতে সবাই নিজেদের মত মানুষ খুঁজে একজোট হয়ে হয়ত আজো আছে। কিন্তু আমি এবং আমার মত আরও কিছু মানুষ যারা মানবের ঐক্যে এবং সর্বচিন্তার মানুষের সহাবস্থানে বিশ্বাস করতাম তাদের আর বোধহয় কোথাও যায়গা হল না। আমরা এখানে ওখানে ঘুরেফিরে দিন কাটালাম। অনেকদিন পড় হটাত আজ এই ব্লগের ঠিকানা টা কি মনে হতে টাইপ করলাম। ঘুরে ঘুরে দেখলাম, বাহ! একসময় তো ভালই লিখেছি। যদিও শতশত লেখার মধ্যে হয়ত এই কটি লেখাকেই বাঁচাতে পেরেছি। তবে ফেইসবুকে আজো লিখি। কদিন হল ফেইসবুক কি একটা কারিগরি শুরু করেছে, অল্প লিখলে লেখা বড় করে দেখা যায়, সেই থেকে সবাই অল্প লিখতে চায়। আর যেহেতু অল্প লিখতে অভ্যাস তাই অল্প পরার একটা অভ্যাসও অলরেডি তৈরি হয়ে গেছে। খেয়াল করে দেখলাম কেউই কোনকিছু বিস্তারিত শুনতে চায় না, দেখতে চায় না, নিজের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান দ...

হাল ছেড়ে দিলে বন্ধু??

হাল ছেড়ে দিলে বন্ধু?? জীবনকি এভাবেই তোমাকে বহমান স্রোতধারায় ভাসিয়ে নিজ়ে যাবে?? আজ কোনো কঠিন শব্দ গুচ্ছ আমাকে আক্রমন করেনা... আমি নিজেই আপন ব্যাথায় আহত... বুকের কোথাও খেজুর কাঁটার খোঁচার মতো তীক্ষ্ণ ব্যাথা ধীরে প্রশস্ত অবয়ব নেয়... নিয়ে নেয় একাই পর্যদুস্ত... পরাজিত হয়ে গেলে তুমি?? তুমি না বিজয় শেখাও??? তুমি না আকাশকে পকেটে পুরে মেঘের হাওয়াই মিঠাই আপন মুখে আপন সুখে সুখ মেলাও!! দেখবে কোথায় আকাশ লুকায় কান্না ঝড়ায় পাহাড় গায়ে নয়তো কোথাও বিষন্নতাও ডুকরে কাঁদে মাঝির নায়ে একটু ধারে জীবন পারে কোন বেহালা বাদক বসে... ভেজায় তাহার আপন সুরে এক অবেলার দূঃখ রসে? উত্থান পতনের ক্রমাগত আঘাতে বেসামাল জীবন তোমার... আমিও ভাবি... হয়তো বেশী দিন নেই, আমার দুখের পাপড়ি ভাঙ্গার... অনেক সুখেই কাটছে আমার দিন প্রতিক্ষন সন্ধ্যা লগন... একজনাকেই সব শপেছি... প্রার্থনাতে তাই জপেছি... অনেক কষ্ট আর বেদনা নিয়ে তুমি পালিয়ে যাবে?? তিনিকি এর চেয়েও বেশী কষ্ট কাউকে দেননি?? পরীক্ষা করেননি?? হাল ছেড়ে দিলে বন্ধু??

জানিনা হবে কিনা ফেরা

আজকে যেখানে আমাকে দেখছো দাঁড়িয়ে আকাশ অথবা নদী অথবা চিলের ডানার তলে কোমল পালক কিংবা নরম আদর মাখা ছোট্ট ঢেউয়ে দুলতে থাকা কচুরিপানার ফুলের মাঝে একটা নৌকো অথবা মমতা মাখানো মাটির কোলে... কাল আমি বহুদুর কোনো শৃংখলে ঘেরা হবেনা জানিনা হবে কিনা ফেরা ফেরা ফের ভুলে থাকা বহুদুর অনেক জীবন পেড়িয়ে এভাবেই এখানে তোমরা সকলে আবার ব্যস্ত কোলাহল বুকে জীবনের পথে পথ ভুলে মন হিসেবে ন্যস্ত। দাড়ি কমা হীন জীবন জগতে ভাগ শেষ কিবা রয়ে গেলো মোর? চেয়েছিতো ভোর খুলেনি যে দোর আর কিবা আমি করতে পারতাম? কিবা ই বা আমার করার ছিলো? দৈনিক আমি সৈনিক হয়ে হেড়েছি কেবলি জিতিনি কোথাও ওপারেই যদি জিত থাকে মোর তাই থাক তবে তাই থাক