সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বেশ একটা ভালো লাগা নিয়েই মায়ের কোলে ফিরে এলাম

এখন রাত ১২টা বেঁজে ৮ মিনিট। এখানে অনেক বাতাস।গতকাল চুলগুলোয় শ্যম্পু করায় বেশ উড়ছে। সারা লঞ্চ ভর্তি মানুষ। সবাই ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছে। বাড়ী জিনিশটা অনেক অদ্ভুত। মনে হয় কোথায় যেনো একটা মায়া আর মজবুত একটা শেকল বাঁধা। আমি ও যাচ্ছি। কাঁধে বিশাল ব্যাগ ঝুলিয়ে যখন টার্মিনালে প্রবেশ করছিলাম পুরো এড়িয়াটা তখন লোকে লোকারন্য। তবে সরকারকে ধন্যবাদ এত্তো চমতকার করে টার্মিনালটাকে সাজানোর সুযোগ দিয়েছে রবিকে। আর রবি ও বেশ অনিন্দ্য করে সাজিয়েছে পুরো টার্মিনালটা।

অবাক হয়ে চকচকে টাইলসের মেঝে আর দেয়াল দেখে ভুলেই গিয়েছিলাম এখানে একসময় তেল চিটচিটে ইটের দেয়াল ছিলো। দেয়ালের স্থানে স্থানে শুকনো ভেজা থুথুর দাগ বসা সেখানে হেলান দেয়া ভবঘুরেগুলো ঢুলুঢুলু চোখে তাকিয়ে থাকতো। তার বদলে সাদা সফেদ স্মার্ট পোশাকের নৌ সেনাদেরকে দেখে বেশ পুলকিত হই। অসাহায় মুখগুলো দেখা থেকে বেঁচে গেলাম বোধহয়। মনে হয়ে যায় আমি অনেক দিন পড়ে এই আঙ্গীনায় পা রেখেছি। রিক্সা গাড়ী থেকে না নামতেই কুলিদের টানা হেঁচড়া মনে হয় যেনো বোঁচকা নয় আমার হাত পা কাঁধে করে তুলে দৌড় দেবে- এসবও অনুপস্থিত।

বেশ একটা ভালো লাগা নিয়েই মায়ের কোলে ফিরে এলাম।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

৬ বছর পর

আগের মত আর লিখিনা বহুদিন। এই যায়গাটা আমার ডায়রির মত। মন যা চায় তা ই লিখতাম। একসময় ব্লগে অনেক কথা হত কত মানুষের সাথে। বাংলা ব্লগোস্ফেয়ারে এপক্ষ ওপক্ষ হয়ে তুলোধুনো করে সবাই সবার ফাঁসি চেয়ে এখন বন্ধ। আমরা যারা লেখালেখি করতাম তারাও তাদের নিজনিজ বিশ্বাস সম্মান ও চেতনা বজায় রাখতে সবাই নিজেদের মত মানুষ খুঁজে একজোট হয়ে হয়ত আজো আছে। কিন্তু আমি এবং আমার মত আরও কিছু মানুষ যারা মানবের ঐক্যে এবং সর্বচিন্তার মানুষের সহাবস্থানে বিশ্বাস করতাম তাদের আর বোধহয় কোথাও যায়গা হল না। আমরা এখানে ওখানে ঘুরেফিরে দিন কাটালাম। অনেকদিন পড় হটাত আজ এই ব্লগের ঠিকানা টা কি মনে হতে টাইপ করলাম। ঘুরে ঘুরে দেখলাম, বাহ! একসময় তো ভালই লিখেছি। যদিও শতশত লেখার মধ্যে হয়ত এই কটি লেখাকেই বাঁচাতে পেরেছি। তবে ফেইসবুকে আজো লিখি। কদিন হল ফেইসবুক কি একটা কারিগরি শুরু করেছে, অল্প লিখলে লেখা বড় করে দেখা যায়, সেই থেকে সবাই অল্প লিখতে চায়। আর যেহেতু অল্প লিখতে অভ্যাস তাই অল্প পরার একটা অভ্যাসও অলরেডি তৈরি হয়ে গেছে। খেয়াল করে দেখলাম কেউই কোনকিছু বিস্তারিত শুনতে চায় না, দেখতে চায় না, নিজের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান দ...

নামাজি কাজ ফেলিয়া

আজ নামাজি কাজ ফেলিয়া ছুটিছে দেখ সিজদাতে, এমনি করে জগত ভরে হোক জমায়েত রোজ রাতে। খোদার ঘরে দরুদ পরে হাজার হাজার মুসলমান; দোর খোলা দিল পথ ভোলা দিল সবমিলে আজ উজাড় প্রাণ। হয় মুসাফির বছর ভুলে আজ কেবলি ঝুকলো শির। কেমন করে আঙ্গুল তোল? তুমিই কে বা মহান পীর? খোদার কাছে কাঁদল অবুঝ কাঁদল পাপী, কদরদান। কান্নাটা তো আসল ছিল, হোক না সে খুব অচলপ্রাণ! এইচ আল বান্না © 2017

হাল ছেড়ে দিলে বন্ধু??

হাল ছেড়ে দিলে বন্ধু?? জীবনকি এভাবেই তোমাকে বহমান স্রোতধারায় ভাসিয়ে নিজ়ে যাবে?? আজ কোনো কঠিন শব্দ গুচ্ছ আমাকে আক্রমন করেনা... আমি নিজেই আপন ব্যাথায় আহত... বুকের কোথাও খেজুর কাঁটার খোঁচার মতো তীক্ষ্ণ ব্যাথা ধীরে প্রশস্ত অবয়ব নেয়... নিয়ে নেয় একাই পর্যদুস্ত... পরাজিত হয়ে গেলে তুমি?? তুমি না বিজয় শেখাও??? তুমি না আকাশকে পকেটে পুরে মেঘের হাওয়াই মিঠাই আপন মুখে আপন সুখে সুখ মেলাও!! দেখবে কোথায় আকাশ লুকায় কান্না ঝড়ায় পাহাড় গায়ে নয়তো কোথাও বিষন্নতাও ডুকরে কাঁদে মাঝির নায়ে একটু ধারে জীবন পারে কোন বেহালা বাদক বসে... ভেজায় তাহার আপন সুরে এক অবেলার দূঃখ রসে? উত্থান পতনের ক্রমাগত আঘাতে বেসামাল জীবন তোমার... আমিও ভাবি... হয়তো বেশী দিন নেই, আমার দুখের পাপড়ি ভাঙ্গার... অনেক সুখেই কাটছে আমার দিন প্রতিক্ষন সন্ধ্যা লগন... একজনাকেই সব শপেছি... প্রার্থনাতে তাই জপেছি... অনেক কষ্ট আর বেদনা নিয়ে তুমি পালিয়ে যাবে?? তিনিকি এর চেয়েও বেশী কষ্ট কাউকে দেননি?? পরীক্ষা করেননি?? হাল ছেড়ে দিলে বন্ধু??